| মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা |
|
মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাঃ
১৯৭১-এ বঙ্গবন্ধুর আহবানে কুষ্টিয়ায় শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। এর প্রেক্ষিতে গোপন থেকে আত্মপ্রকাশ করে স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ-কুষ্টিয়ার ‘‘ নিউক্লিয়াস’’ ইউনিট। ৩ মার্চ ইসলামিয়া কলেজ মাঠে ছাত্র- জনতার সমাবেশে স্বাধীন বাংলার পতালা উত্তোলন করেন জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল জলিল।
২৫ মার্চ রাত ২ টায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনীর মেজর শোয়েবের নেতৃত্বে ২৭ নম্বর বেলুচ রেজিমেন্টের মোট ২১৬ জন সৈন্যের আক্রমনে কুষ্টিয়া শহরের পতন ঘটে। কুষ্টিয়া পুণরুদ্ধারে ইপিআরের উইং কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরী পোড়াদহে অবস্থান নেন এবং তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য জয়বাংলা বাহিনী শহরের পশ্চিমে অবস্থিত পুলিশ লাইনের দক্ষিণে অবস্থান নেয়। পাকিসত্মানী সৈন্যরা দেশপ্রেমের চেতনায় উজ্জীবিত মুক্তি সেনাদের সাঁড়াশী আক্রমণে পিছু হটতে বাধ্য হয়। যার পরিণতিতে ৩১ মার্চ কুষ্টিয়া শহর দখলমুক্ত হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বোমার আঘাতে কুষ্টিয়া শহরের এন. এস. রোডের একটি দৃশ্য
২৩ মার্চ ১৯৭১ কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজ মাঠের ছাত্র-জনতার সমাবেশে স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলনের দৃশ্য।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বোমার আঘাতে ক্ষতিগ্রস্থ কুষ্টিয়া কোর্ট ষ্টেশন
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক হানাদার বাহিনী হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ হার্ঞ্জিং ব্রীজ
যুদ্ধচালীন সময়ে নেতৃবৃন্দ
প্রশিক্ষনরত জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের একাংশ
১১ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকাল ৯টায় কুষ্টিয়া মুক্ত দিবসে ডিসি কোর্ট প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ভাষণ প্রদান করেন আব্দুর রউফ চৌধুরী এম.সি.এ চেয়ারম্যান; জোনাল কাউন্সিল, দক্ষিণ-পশ্চিম জোন, বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও পাবনা জেলা মুজিবনগর সরকার। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সর্বজনাব সামসুল হক ডিসি কুষ্টিয়া, সচিব জোনাল কাউন্সিল কামরুল ইসলাম সিদ্দিকী; জোনাল প্রকৌশলী ডাঃ আব্দুল মান্নান সিভিল সার্জন; জোনাল কাউন্সিলর তৌফিক এলাহী (সি.এস.পি) কো-অর্ডিনেটর বাংলাদেশ সরকার এবং বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, মিত্র বাহিনীর সদস্যবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ
জেলার মুক্তিযোদ্ধাগণের নামের তালিকা
|
|||||||||||||||||||||